শিরোনাম:
যুক্তরাষ্ট্রে দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৫১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হলেই প্রশাসক নিয়োগ করা হবে জয় লাভ করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ঠান্ডার সঙ্গে পেশী প্রভাবিত হওয়ার সম্পর্ক কোথায়? মেঘনা গ্রুপে এক্সিকিউটিভ পদে জনবল নিয়োগ বাংলাদেশর ১ লাখ ১২ হাজারের বেশি ভিডিও ডিলিট করেছে ইউটিউব নয়াপল্টনকে অস্থিতিশীল করতেই সরকারের এজেন্সিগুলোর নাশকতা চলছে : ফখরুল দিনাজপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির মাদরাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণ,মুক্তিপণ দাবি আমরা রিজার্ভ খরচ করেছি দেশের মানুষের জন্য : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের টেকনাফে পর্যটকবাহী জাহাজে আগুন
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৫০ অপরাহ্ন

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি ৫.৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

প্রতিনিধির / ৩০ বার
আপডেট : বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি ৫.৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি ৫.৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে ৫ দশমিক ৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পোশাক আমদানি করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল ডেটা সোর্স ‘অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটিইএ)-এর জানুয়ারি-জুলাই, ২০২২ সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের-এর সর্বশেষ পোশাক আমদানি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।
ওটিইএ এর মতে, ২০২১ সালের একই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি ৫৪ দশমিক শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে যেখানে বিশ্ব থেকে তাদের আমদানি ৩৯ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে ৫ দশমিক ৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পোশাক আমদানি করেছে।

উল্লিখিত সময়ে চীন থেকে আমদানি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪০ শতাংশ। চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শীর্ষ পোশাক আমদানির উৎস। উল্লেখিত সময়ে চীন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি হয়েছে ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার।

একই সময়ে, ভিয়েতনাম থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি ৩৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, আমদানি পৌঁছেছে ১০ দশমিক ৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

অন্যান্য শীর্ষ দেশ যেমন ইন্দোনেশিয়া, ভারত, কম্বোডিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং পাকিস্তান থেকে আমদানি একই সময়ে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মূলত করেনা মহামারি থেকে ঘুরে দাঁড়ানো এবং ভোক্তাদের কেনাকাটা বৃদ্ধির ফলে খুচরা বিক্রয় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃদ্ধি পায়। তবে, মূল্যস্ফীতি, ফেডের হার বৃদ্ধি, এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্দার কারণে ২০২২ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা কতটা টিকে থাকবে সেটি ভাবনার বিষয়। অস্বাভাবিক দীর্ঘ গ্রীষ্মের কারণে শীতের পোশাক চাহিদাও তুলনামূলক কম।

লক্ষণীয় যে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানি আগস্ট ২০২২ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য হারে প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছিল, ফলে বাংলাদেশ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রাখতে পারে এবং পরবর্তীতে অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে খুচরা বিক্রয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় ক্রেতারা সতর্ক অবস্হানে আছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ