শিরোনাম:
চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে ছয় হাজার ৫০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি অবশেষে সিনেমার নায়ক হচ্ছেন আফরান নিশো সহযোগিতা চেয়ে ন্যাটো সদস্যদের প্রতি আহ্বান ইউক্রেনের আফগানিস্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত ১৫ আহত ২০ নাটোর জেলায় দুই কোটি ৪৫ লাখ ৪১ হাজার টাকার প্রণোদনা পাচ্ছেন ৪৪ হাজার কৃষক ঢাবি শিক্ষকদেরর গবেষণা ভাতাসহ অন্যান্য বাতিলকৃত সুযোগ-সুবিধা পুনর্বহালের দাবি ইরানকে হারিয়ে শেষ ষোলতে যাওয়ার টিকিট পেল যুক্তরাষ্ট্র সম্মুখসারির যোদ্ধা, ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি এবং গর্ভবতীদের টিকার চতুর্থ ডোজ দেয়ার সুপারিশ তিন মাস অপেক্ষার পর আইন মন্ত্রণালয়ের সাড়া পেল ইসি নতুন করে রেকর্ড বইয়ে নাম তুলেছে ব্রাজিল
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন

সুদিন ফিরছে সোনালি আঁশের, আগ্রহ বেড়েছে চাষে

প্রতিনিধির / ১৮ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২২
সুদিন ফিরছে সোনালি আঁশের, আগ্রহ বেড়েছে চাষে
সুদিন ফিরছে সোনালি আঁশের, আগ্রহ বেড়েছে চাষে

সোনালি আঁশ খ্যাত পাট চাষে আগ্রহ বেড়েছে জেলার কৃষকের মধ্যে। অন্য ফসলের তুলনায় লাভবান হওয়া গত কয়েক বছরে পাটের আবাদ বেড়েছে। চলতি বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ হাজার ১৭৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। অধিকাংশ জমির পাট কর্তন শেষ। এখন পাট জাগ দেওয়া ও আঁশ সংগ্রহ করে তা বিক্রি উপযোগী করা হচ্ছে।

পাটের আঁশ ছড়ানোসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কাজে অংশগ্রহণ করছেন স্থানীয় নারীরাও। মৌসুমের শুরুতেই বাজারে প্রতিমন পাট বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায়। এই দামকে ভালই বলছেন কৃষকরা। জেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিন ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অনেক এলাকাতে গ্রামের পথের ধারে খুব সকালে পাট ছড়ানোর দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। গত কয়েক বছরে পাটের বাজারমূল্য ভাল হওয়ায় পাট চাষে আবারও আগ্রহী হয়েছেন বলে জানান কৃষকরা। যেন সোনালি আঁশের সুদিন ফিরছে বলেও দাবি করেন তারা।

শিবগঞ্জ উপজেলার রাকিব উদ্দীন, ওমর ফারুকসহ বেশ কয়েকজন কৃষক জানান, এক বিঘা জমিতে পাট চাষে খরচ হয় ছয় থেকে সাত হাজার টাকা। আর পাট বিক্রি করে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। অন্যদিকে একবিঘা জমির ধান বিক্রি করে ২০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এ লাভের কারণেই অনেকে জমিতে অন্য ফসল না করে পাট চাষাবাদ করছেন তারা।

পাটের আঁশ ছড়ানোর কাজ করেন সাধারণত গ্রামের নারী ও ছোটরা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অবসর পেলে পুরুষরাও হাত লাগান। পাটকাঠি ব্যবহৃত হয় জ্বালানি হিসেবে। আর এ কারণে পাটের এ মৌসুমে গ্রামের নারীরাসহ অনেকেই আঁশ ছড়ানোর কাজ করে থাকেন। কারণ, এ কাজে আঁশ ছড়নো পাটকাঠিই পরিশ্রমিক, আর মালিকের থাকে পাট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ড. পলাশ সরকার জানান, জেলার একটি অর্থকরী ফসল হলো পাট। জেলায় গত বছর ৩ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ করা হয়েছিল। এবার ৩ হাজার ১৭৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হবে। কিছুটা দেরিতে কাটা হলেও এখন প্রায় অধিকাংশ পাটই কাটা শেষ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পাটের দাম হিসাব করলে গত বছর ছিল ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা মণ। তবে এ বছর তা শুরুই হয়েছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা মণ। এ দাম আগামীতে আরও বাড়বে বলে আশা করেন তিনি।

বাজারে ভাল দাম ও দ্রুত পাট বিক্রির টাকা ঘরে তুলতে পারায় দিন দিন পাট চাষে আগ্রহী হচ্ছেন জেলার কৃষকরা। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকেও তাদের সবধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের এই কর্মকর্তা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ