শিরোনাম:
চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে ছয় হাজার ৫০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি অবশেষে সিনেমার নায়ক হচ্ছেন আফরান নিশো সহযোগিতা চেয়ে ন্যাটো সদস্যদের প্রতি আহ্বান ইউক্রেনের আফগানিস্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত ১৫ আহত ২০ নাটোর জেলায় দুই কোটি ৪৫ লাখ ৪১ হাজার টাকার প্রণোদনা পাচ্ছেন ৪৪ হাজার কৃষক ঢাবি শিক্ষকদেরর গবেষণা ভাতাসহ অন্যান্য বাতিলকৃত সুযোগ-সুবিধা পুনর্বহালের দাবি ইরানকে হারিয়ে শেষ ষোলতে যাওয়ার টিকিট পেল যুক্তরাষ্ট্র সম্মুখসারির যোদ্ধা, ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি এবং গর্ভবতীদের টিকার চতুর্থ ডোজ দেয়ার সুপারিশ তিন মাস অপেক্ষার পর আইন মন্ত্রণালয়ের সাড়া পেল ইসি নতুন করে রেকর্ড বইয়ে নাম তুলেছে ব্রাজিল
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন

চালের উর্দ্ধমুখী দামে বেকায়দায় সাধারন মানুষ

প্রতিনিধির / ৩১ বার
আপডেট : রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২
চালের উর্দ্ধমুখী দামে বেকায়দায় সাধারন মানুষ
চালের উর্দ্ধমুখী দামে বেকায়দায় সাধারন মানুষ

কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে চাল। অন্যদিকে এলসির চাল বাজারে না থাকায় উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে চাল। তবে পাইকারি এবং খুচরা দরে বিস্তর ফারাক। ব্যবসায়ীরা বলছে আমন ওঠার আগে সহনশীল হবে না চালের দাম।

পাইকারি বাজারের তথ্য বলছে, প্রায় মাস খানেক সময় ধরে চালের দাম অপরিবর্তিত। টাকার মান কমে যাওয়া এবং ডলার সংকটের কারনে চাল আমদানি হচ্ছে না।

অন্যদিকে ধানের দাম বেড়েছে মনে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। ফলে বর্ধিতমূল্যেই বিক্রি হচ্ছে চালের দাম। বর্তমানে পাইকারি বাজারে মোটা চাল (স্বর্ণা) ৪২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সরু চাল মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত। সরু চালের মধ্যে মিনিকেট ও নাজিরশাইলের বিক্রি বেশি। ভালো মানের মিনিকেট ৭৫ টাকা, আর নাজিরশাইল কিনতে হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০ টাকা দরে। বাজারে আটাশ চালের কেজি ৫০ টাকা, গুটি স্বর্ণা ৫০ টাকা। এছাড়া বালাম ৫২ থেকে ৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এদিকে খুচরা বাজারে ৫০ টাকা কেজির নিচে কোনো চাল নেই। পাইকারি বাজারের সাথে খুচা দোকানে চালের দরের পার্থক্য ৮/১০ টাকা। স্বর্ণা ৫০ টাকা, মিনিকেট ৭৫ টাকা, নাজিরশাইল ৮০ টাকা, বালাম ৬০/৬৫ টাকা।

এদিকে বাজারে মোটা চালের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। বর্তমানে মোটা চালের সরবরাহ কমে গেছে। বাজারে অনেকেই দু-একটির বেশি আইটেম আনতে পারছে না। মিলাররা বলছে, এবার মোটা ধান উৎপাদন হয়েছে কম। তাই ধান সংকটে তাঁরা চাহিদামতো চাল সরবরাহ করতে পারছেন না।

পাইকারি বড় বাজারের আড়তদার সোহাগ বাণিজ্য ভান্ডারের ম্যানেজার রায়হান জানান- ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানিকারকরা চাল আমদানি করছে না। একই সাথে বেড়েছে ধানের দাম। মন প্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা হারে দাম বেড়েছে। মিল মালিকরা এসব কারণে ধানের দাম বাড়িয়েই চলেছে। তিনি বলেন- গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে একই অবস্থায় রয়েছে চাল।

একই বাজারের ফরিদ এন্ড ব্রাদার্সের স্বত্তাধিকারি ফরিদ হোসেন বলেন-দাম বাড়া কমার মধ্যেই আছে। আশ্বি- কার্ত্তিক মাসে অভাব আসে। সেই সময়টা এখন পার হচ্ছে। আড়ত থেকে মিল সবখানে ধানের ঘাটতি আছে। যে কারনে দাম কিছুটা বাড়তির দিকে। আমন ওঠার আগে আর দাম কমান কোন সম্ভাবনা নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ