শিরোনাম:
তিন বছর পর পর্দায় দেখা মিলবে পপির ঢাকায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাব প্রস্তুত ট্রাম্পের সংবিধানের ‘সমাপ্তির’ আহ্বানের নিন্দা জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ ৭ ডিসেম্বর কক্সবাজারে ২৮ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী আইএমএফ’র ঋণ পেতে আরও কিছু শর্ত মানতে যাচ্ছে সরকার আজ খেলবেন নেইমার,পেলের জন্য লড়বে ব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্রে দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৫১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হলেই প্রশাসক নিয়োগ করা হবে জয় লাভ করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ঠান্ডার সঙ্গে পেশী প্রভাবিত হওয়ার সম্পর্ক কোথায়?
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:০৩ অপরাহ্ন

পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে উত্তাল পাকিস্তান

প্রতিনিধির / ২৫ বার
আপডেট : শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২২
পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে উত্তাল পাকিস্তান
পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে উত্তাল পাকিস্তান

পাকিস্তানের জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশব্যাপী ইতোমধ্যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। লাহোরে দলের কর্মী ও সমর্থকরা ঠোকার নিয়াজ বেগে জড়ো হয়েছেন। সেখানে এ বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন সিনেটর এজাজ চৌধুরী। দেশটির প্রভাবশালী পত্রিকা ডন বলছে, লাহোরে পাঞ্জাবের গভর্নরের কার্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভকারীরা একত্রিত হন। সেখানে তাঁরা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। কিছু বিক্ষোভকারী কার্যালয়ের ভবনে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফেলেন। এ সময় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া ফৈজাবাদ ইন্টারচেঞ্জে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে। পিটিআই সমর্থকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করতে শুরু করলে পুলিশ এ পদক্ষেপ নেয়। করাচির শারিয়া ফয়সালে বিক্ষোভকারীদের ওপর কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান লংমার্চে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরদিন গতকাল শুক্রবার তাঁর দল দেশজুড়ে বিক্ষোভ করেছে। গতকাল জুমার নামাজের পর করাচি, ইসলামাবাদ, লাহোর, কোয়েটা, পেশোয়ার, মালাকান্দ, রাজনপুর, বাহাওয়ালনগর, মুজাফফরগড়, কোহাটসহ পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলোতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন ইমরানের সমর্থকরা। এ সময় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো দেশ।

এদিকে পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান অভিযোগ করেছেন, তাঁর হত্যাচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জড়িত। আক্রান্ত হওয়ার পর গতকাল প্রথমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ এবং একজন সিনিয়র সেনা কমান্ডার এ চক্রান্তে জড়িত। এ তিনজনের পদত্যাগও দাবি করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইমরান খান হত্যাচেষ্টার জন্য কোনো রকম তদন্ত কিংবা প্রমাণ ছাড়াই মানুষকে যেভাবে দোষারোপ করেছেন, তা ‘খুবই দুঃখজনক’।

ইমরান বলেছেন, ‘সামরিক বাহিনী যদি দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারত, তাহলে পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হতো না। শুধু রাজনৈতিক দলগুলোই দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারে; সামরিক বাহিনী সহায়তা করতে পারে। আমরা ইতিহাস থেকে কিছুই শিখিনি।’

ইমরান নিজের প্রতিষ্ঠিত লাহোরের শওকত খানম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসক জানিয়েছেন, ইমরান খানের অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি ভালো আছেন।
আগাম জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে ২৫ অক্টোবর রাজধানীমুখী লংমার্চের ঘোষণা দেন ইমরান। ২৮ অক্টোবর লাহোর থেকে লংমার্চ শুরু করে পিটিআই। ৪ নভেম্বর ইসলামাবাদ পৌঁছানোর কথা ছিল তাঁর। তিনি লংমার্চ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

অন্যদিকে ইমরান খানের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে দেশটির সব রাজনৈতিক দলকে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রাজনৈতিক সমাবেশে ইমরানকে হত্যাচেষ্টার কঠোর নিন্দা জানিয়ে শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেন, রাজনীতিতে সহিংসতার কোনো স্থান নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ