শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে হত্যার ঘটনায়,মধ্যস্থতার প্রস্তাব

প্রতিনিধির / ২৮ বার
আপডেট : রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২২
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে হত্যার ঘটনায়,মধ্যস্থতার প্রস্তাব
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে হত্যার ঘটনায়,মধ্যস্থতার প্রস্তাব

পাকিস্তানের প্রধান ইস্যুতে একমত হওয়ার জন্য পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করতে প্রস্তাব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ড. আরিফ আলভি। মূলত নিজের ব্যক্তিগত সক্ষমতার অধীনে এই কাজ করার বিষয়ে প্রস্তাব রেখেছেন তিনি।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে হত্যার চেষ্টার পর দেশটিতে উত্তেজনা বেড়ে গেছে। হামলায় আহত ইমরান খান তাকে হত্যা চেষ্টার পেছনে যে ৩ জনের জড়িত থাকার কথা জানিয়েছেন তাদের দুই জনই পিটিআই প্রধানের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। ফলে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে বিভেদ আরও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সংকট ও অচলাবস্থা কাটাতে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ড. আরিফ আলভি। খবর পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।

সরকার বিরোধী লংমার্চে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় পাঞ্জাবের ওয়াজিরাবাদ শহরে বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) পিটিআই প্রধান পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় পাকিস্তানের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে।সংবাদ মাধ্যম এসপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি ও ফার্স্ট লেডি বেগম সামিনা আরিফ আলভি শনিবার (৫ নভেম্বর) লাহোরের শওকত খানম মেমোরিয়াল ক্যানসার হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে যান।

এই হাসপাতালেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে যাওয়ার পর তারা ইমরানের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন। এসময় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডি ইমরানকে তাদের শুভকামনা জানান এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। এসময় প্রায় তিন ঘণ্টা তারা ইমরানের সঙ্গে ছিলেন। প্রেসিডেন্ট আলভি বলেন, ‘মহান আল্লাহর রহমতে পাকিস্তান একটি বিশাল সংকট থেকে রক্ষা পেয়েছে’।পরে প্রেসিডেন্ট ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশের ভয়াবহ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও মত বিনিময় করেন। এ সময় আরিফ আলভি আবারও ইমরানের ওপর এই হামলার নিন্দা করেন। এছাড়াও তিনি দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জানান, সরকারকে প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। মৌলিক অধিকারের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার, জীবন ও স্বাধীনতার এবং বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে।রাজনৈতিক পক্ষগুলোকে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যগুলো অনুসরণ করা উচিত। আলোচনা ও সংলাপসহ গণতান্ত্রিক উপায়ের মাধ্যমে চলমান সমস্যাগুলোর সমাধান খুঁজে বের করা উচিত বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ