শিরোনাম:
গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়ে যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী টিকা ক্যাম্পেইনে ৭ দিনে টিকা পাচ্ছে ৯০ লাখ মানুষ পয়ঃবর্জ্যের উৎপত্তিস্থলে ব্যবস্থাপনার আহ্বান : ডিএনসিসি মেয়র টিকফা বৈঠকেরা জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুতি নিচ্ছে ইডি দপ্তরে জিজ্ঞাসাবাদে দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ডিএসই ও সিএসই সূচকের ওঠামানার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে সেভ দ্য চিলড্রেন ‘টেকনিক্যাল ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ পাকিস্তানের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যু বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় জার্মানি শেষ ষোলোয় পা রেখেছে আর্জেন্টিনা, কোয়ার্টারের পথে এগিয়ে
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:০৯ অপরাহ্ন

নিলামে স্টিভ জবসের জুতা, দাম ১৮ হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলার

প্রতিনিধির / ১৫ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২২
নিলামে স্টিভ জবসের জুতা, দাম ১৮ হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলার
নিলামে স্টিভ জবসের জুতা, দাম ১৮ হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলার

অ্যাপল, আইফোনের কথা আসলেই স্টিভ জবসের নাম সামনে আসে। তবে এবার অন্য কারণে স্টিভের কথা স্মরণ করছে বিশ্ব। সম্প্রতি স্টিভ জবসের ব্যবহৃত একটি জুতা নিলামে উঠেছে। নিলাম কোম্পানি জুলিয়ান অকশন ৫০ বছরের পুরোনো স্টিভ জবস এক জোড়া বাদামী চামড়ার বার্কেনস্টক অ্যারিজনা স্যান্ডেল নিলামে তুলেছে।

অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসকে চেনেন না এমন মানুষ কমই আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের একজন উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবক ছিলেন। স্টিভ জবসকে পার্সোনাল কম্পিউটার বিপ্লবের পথিকৃৎ বলা হয়। তিনি স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েনের সঙ্গে “অ্যাপল কম্পিউটার” প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১১ সালে মারা যান স্টিভ।

এই স্যান্ডেল বিক্রি হয়েছে লাখ ১৮ হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলারে। বিপুল দামে নিলামে এক জোড়া চটি বিক্রি হওয়ার কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে। দাম হবেই বা না কেন! এটি যে পরেছেন অ্যাপলের কর্ণধার।

নিলাম সংস্থা জানিয়েছে, জবস ১৯৭০ এবং ১৯৮০-এর দশকে এই চটি পরতেন। বার্কেনস্টক স্যান্ডেলের এই চটি আগে স্টিভ জবসের ম্যানেজার মার্ক শেফের মালিকানাধীন ছিল। নিলাম সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, স্টিভ জবস অ্যাপলের ইতিহাসে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এই স্যান্ডেলটি পরেছেন। দীর্ঘদিন ব্যবহারে জুতার উপর জবসের পায়ের ছাপও পড়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালে ইতালির মিলানোতে এক প্রদর্শনীতে এই জুতা জোড়া দেখা গিয়েছিল। এছাড়াও জার্মানিতে বার্কেনস্টক অ্যারিজনার সদর দফতরেও প্রদর্শিত হয়েছিল এই জুতা। এছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের একাধিক দেশে এই জুতা প্রদর্শিত হয়েছে একাধিকবার।

এক সাক্ষাৎকারে জবসের প্রাক্তন স্ত্রী জানিয়েছেন, ‘নিজের সাধারণ জীবনযাপনের প্রতীক ছিল এই স্যান্ডেল। এটাই তার ইউনিফর্ম ছিল। ফলে সকালে কী পরব তা নিয়ে ভাবতে হত তা জবসকে। অন্যের থেকে আলাদা হওয়ার জন্য নিজে কিছুই কিনতেন না স্টিভ। তিনি যা পরছেন তা কতটা আরামদায়ক সেই বিষয়েই নজর থাকত। বার্কেনস্টকের এই জুতা পায়ে তাকে কখনোই একজন শিল্পপতি মনে হয় না। ফলে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারতেন স্টিভ।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ