সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন

বিভিন্ন অভিযোগ এনে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সার্বিক কার্যক্রম বর্জন

প্রতিনিধির / ২৯ বার
আপডেট : রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২
বিভিন্ন অভিযোগ এনে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সার্বিক কার্যক্রম বর্জন
বিভিন্ন অভিযোগ এনে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সার্বিক কার্যক্রম বর্জন

অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্ব্যবহার ও কুরুচিপূর্ণ আচরণের অভিযোগ এনে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতের সার্বিক কার্যক্রম বর্জন শুরু করেছেন আইনজীবীরা।

রোববার (২৭ নভেম্বর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম জেলা জজকে প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত চলতে থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী নেতারা।এর আগে, শনিবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে কক্সবাজার আইনজীবী ভবনের মিলনায়তনে সমিতির বিশেষ সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন আইনজীবীরা।

তার এমন আচরণের বিষয়টি আমরা লিখিতভাবে আইন মন্ত্রণলালয় ও প্রধান বিচারপতিসহ সংশ্লিষ্ঠদের জানিয়েছি। এমন দুর্ব্যবহারের পাশাপাশি তার নানা অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতায় কারণে বাধ্য হয়েই আমরা তার আদালত বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। রোববার সকাল থেকে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

সমিতির সভাপতি ইকবালুর রশিদ আমিন সোহেল বলেন, সুপ্রীম কোর্টের নিয়ম অনুযায়ী সাড়ে ৯টা থেকে আদালত চালু হয়ে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চলার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু বিচারক ইসমাইল এসব মানেন না। তিনি তার নিজের ইচ্ছায় আদালতে বসেন, আদালত চালান।

আইনজীবীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, প্রায় তিন বছর আগে বান্দরবান জেলা জজ থেকে বদলি হয়ে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোহাম্মদ ইসমাঈল। কিছুদিন সততার সাথে দায়িত্ব পালন করলেও ধীরে ধীরে নানা অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারি মনোভাবে আদালত পরিচালনা শুরু করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে জেলা আইনজীবীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেন তিনি। এছাড়া আইনজীবীদের সাথে নানা সময় দুর্ব্যবহার করেছেন মোহাম্মদ ইসমাইল।

এ বিষেয়ে কক্সবাবার জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাওহীদুল আনোয়ার বলেন, চলতি বছরের ১৪ জুলাই জেলা লিগ্যাল এইডের বৈঠকে জেলার সকল আইনজীবিকে উদ্দেশ্যে করে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছিলেন বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল। সেদিন আমরা এর প্রতিবাদ করে তার ভুলের জন্য ক্ষমা চাইতে বললেও তিনি তা কর্ণপাত করেননি।

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি মিস মামলার পরবর্তী তারিখ আদালতে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু তিনি তা করেন না। তিনি ওইসব মামলা খাস কামরায় শুনানি করেন, জামিনও দেন। এছাড়া আদালতে দেওয়া আদেশে স্বাক্ষর না করে তা খাস কামরায় রেখে দিয়ে বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও নানা অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে জেলার সকল আইনজীবীদের সিদ্ধান্ত মতে তার আদালত বর্জনের কর্মসূচি দেয়া হয়। তাকে প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত চলতে থাকবে এ কর্মসূচি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ