বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০২:১২ অপরাহ্ন

দেশের অর্থনীতি ধ্বংসে প্রধান দায়ী আওয়ামী লীগ সরকার : মির্জা ফখরুল

প্রতিনিধির / ৮২ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
দেশের অর্থনীতি ধ্বংসে প্রধান দায়ী আওয়ামী লীগ সরকার : মির্জা ফখরুল
দেশের অর্থনীতি ধ্বংসে প্রধান দায়ী আওয়ামী লীগ সরকার : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের জন্য প্রধান দায়ী আওয়ামী লীগ সরকার। এ সময় তিনি বলেন, সরকার সার ফ্যাক্টরিগুলোতে গ্যাস সরববাহ দিতে পারছে না বলেই কৃষকরা সার পাচ্ছে না।বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক প্রতিনিধি ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তেলের দাম, চালের দামসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হু হু করে বাড়ছে। উত্তরবঙ্গসহ দেশের কৃষকরা অভিযোগ করছে সার পাওয়া যাচ্ছে না। এ সার না পাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে সরকার সার ফ্যাক্টরিগুলোতে গ্যাস সরববাহ দিতে পারছে না। এভাবে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করার প্রধান দায়ী এই অনির্বাচিত ফ্যাসিস্ট অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকার।’তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে যিনি আমাদেরকে পথ দেখাচ্ছেন। সেই নেতা আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে নির্বাসিত করা হয়েছে। আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে একটি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় চারটি বছর কারাগারে রেখেছিল। প্রথমে তাকে কারাগারে আটক করে রাখা হয়েছিল। এখন গৃহবন্দী অবস্থায় রাখা হয়েছে। এই সংকট মুহূর্তে আমাদের নেতা দূরে থেকেও দেশ ও জনগণকে সংঘটিত করে যাচ্ছেন।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকের বাংলাদেশের এই সংকট আমরা যদি সমাধান না করি, এটি দেশের অস্তিত্বের সংকট। আমরা যে উপলব্ধি নিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম, সেই স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার। একটি গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করার। দুর্ভাগ্যক্রমে যে দলটি বার বার দাবি করে আসছে, সে সময়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে। সেই দলই কিন্তু ১৯৭৫ সালে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল। আজকে ১৪ বছর ধরে এই দলটি তথা আওয়ামী লীগ বেআইনিভাবে অবৈধভাবে জোর করে বিনা নির্বাচনে তার ক্ষমতা দখল করে বসে আছে।’মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ প্রথম যে মূল ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে তা হলো- নির্বাচন ব্যবস্থা। এখন তারা ইউনিয়ন পর্যায়ের নির্বাচনগুলোতেও জোর করে দখল করে নির্বাচিত হয়। একেক নির্বাচনে তারা একেকটি কৌশল অবলম্বন করে। এভাবে তারা সকল ব্যবস্থা ধ্বংস করছে। একইভাবে ’১৪ ও ’১৮ নির্বাচনে তারা ভোটারহীন নির্বাচন সম্পন্ন করেছে। সে কারণে একটি ভয়ংকর অবস্থা দেখে যাচ্ছে জনগণ নির্বাচন বিমুখ হয়ে যাচ্ছে, তারা আর ভোট দিতে যায় না।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ