শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন

বায়ার্ন মিউনিখকে বিধ্বস্ত করে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিতে এক পা ম্যানসিটির

প্রতিনিধির / ৮৯ বার
আপডেট : বুধবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৩
বায়ার্ন মিউনিখকে বিধ্বস্ত করে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিতে এক পা ম্যানসিটির
বায়ার্ন মিউনিখকে বিধ্বস্ত করে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিতে এক পা ম্যানসিটির

নিজেদের ঘরের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে যেন এক পা দিয়েই রাখলো ম্যানচেস্টার সিটি। বায়ার্নের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিলো টমাস টুখলের প্রহম কনো বড় পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় পেপ গার্দিওলার ম্যানসিটির কাছে একেবারে ধরাশয়ী হতে হলো টুখেলকে। দুই বছর আগে চেলসিকে নিয়ে যেই সিটিজেনদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা মাথায় তুলেছিলেন টুখেল এবার তাদের কাছেই হেরে বাভারিয়ানদের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ যাত্রা শুরু হলো টুখেলের।

ঘরের মাঠ ইতিহাদে এদিন শুরু থেকেই বায়ার্নের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে শুরু করে গার্দিওলার শিষ্যরা। বায়ার্নও অবশ্য চেষ্টা করেছেন নিজেদের অবস্থান জানান দিতে। তবে সিটির আক্রমণের সামনে বায়ার্নের আক্রমণ ছিলো একেবারেই নখদন্তহীন।শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে খেলা চললেও সফরকারীদের যেন একটুও ছাড় দেওয়ার মানসিকতা ছিল না সিটিজেনদের। ম্যাচেরর ১৪ মিনিটেই বায়ার্নের জালের দেখা প্রায় পেয়েই গিয়েছিলো সিটি। সে যাত্রায় কোনোমতে আর্লিং হালান্ডকে ঠেকিয়ে দেয় বায়ার্ন। ২২ মিনিটেই ফের সম্ভাবনা জাগিয়েও গোল করতে পারেননি হালান্ড।

২৬ মিনিটে দুর্দান্ত এক প্রতি আক্রমণ করেছিলো বায়ার্ন। তবে অসাধারণ দক্ষতায় জামাল মুসিয়ালাকে আটকে দেন রুবেন দিয়াজ। ঠিক পরের মিনিটেই লিড নেয় সিটি।ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া রদ্রির বাঁ পায়ের বুলেট গতির বাঁকানো শটটি আটকানোর সাধ্য ছিলো না বায়ার্ন গোলরক্ষক ইয়ান সোমারের।প্রথমার্ধে বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিলো বাভারিয়ানরা। সিটির সঙ্গে আক্রমণে পেরে না ওঠায় ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বায়ার্ন।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে সমতায় ফিরতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলো বায়ার্ম। তবে লিরয় সানের দুইটি দারুণ প্রচেষ্টা আটকে যায় ম্যানসিটি গোলরক্ষক এডারসনের সামনে এসে।ম্যাচের ৭০ মিনিটে এসে বায়ার্নের জালে আরেকবার বল জড়িয়ে তাদের ম্যাচে ফেরার স্বপ্নে আরও এক ধাক্কা দেয় সিটি। দুর্দান্ত এক গোলে সিটিজেনদের ২-০ গোলে এগিয়ে নেন বার্নার্ডো সিলভা।

মিনিট ছয়েক পরই সিটিজেনদের হয়ে তৃতীয় গোলটি করে রেকর্ডবুকে নাম লেখান আর্লিং হালান্ড। তার গোলে ৩-০ গোলের লিদ নিয়ে বায়ার্নের ম্যাচে ফেরার আশা একবারে শেষ করে দেয় সিটি। এই গোল দিয়েই প্রিমিয়ার লিগ যুগে মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ৪৫ গোল হয়ে যায় হালান্ডের।এদিকে, এই বায়ার্নের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ঘরের মাঠে টানা ২৫ ম্যাচ অপরাজিত থাকার মাইলফলকেও পৌঁছেছে সিটি। আগামী ১৯ এপ্রিল বায়ার্নের মাঠে দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে দুই দল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ