বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে বিল উত্থাপনের দাবি

প্রতিনিধির / ৭৮ বার
আপডেট : সোমবার, ৮ মে, ২০২৩
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে বিল উত্থাপনের দাবি
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে বিল উত্থাপনের দাবি

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে আগামী জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিল উত্থাপনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং। আজ সোমবার জাতীয় প্রেস কাবে আয়োজিত ‘তামাকমুক্ত বাংলাদেশ : অগ্রগতি ও করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ল্েয প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যমান আইনকে বৈশ্বিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনের সংশোধনীর খসড়া প্রণয়ন করেছে। যা এই মুহুর্তে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে বিবেচনাধীন রয়েছে। ওই খসড়াটি চূড়ান্ত করে জাতীয় স্বার্থে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশোধনী বিল পাস করতে হবে।সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী পার্লামেন্টারি ফোরাম ও স্বাস্থ্য সুরা ফাউন্ডেশনের সুপারিশ আমলে নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের জন্য চুড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেছে। ওই সংশোধনীটি পাশ হলে আইনটি বৈশ্বিক মানদণ্ডে উপনীত হওয়ার পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হবে। আর তামাকের ভয়ংকর ছোবল থেকে জনস্বাস্থ্য সুরার পথ সুগম হবে। এ জন্য আইনের খসড়াটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদে উত্থাপন করে তা পাসের দাবি জানাচ্ছি।

স্বাস্থ্য সুরা ফাউণ্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. নিজাম উদ্দীন আহম্মেদের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক ড. রুমানা হক। আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য সুরা ফাউণ্ডেশনের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ‘সাউথ এশিয়ান স্পিকার্স সামিট’-এ ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দেন। এরপর তিনি এই ঘোষণা বাস্তবায়নে তিনটি বিশেষ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে, ‘স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ ব্যবহার করে একটি তহবিল গঠন, যা দিয়ে দেশব্যাপী জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি গ্রহণ’, ‘তামাকের উপর বর্তমান শুল্ক-কাঠামো সহজ করে একটি শক্তিশালী তামাক শুল্ক-নীতি গ্রহণের মাধ্যমে তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমানো’, এবং ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সব ধরণের কার্যকর পদপে গ্রহণ ও এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রাধিকারের সাথে মিল রেখে আইনগুলোকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এফসিটিসি’র সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ