সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন

জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিপূর্ণ শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সপ্তম

প্রতিনিধির / ১৮৮ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ জুন, ২০২৩
জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিপূর্ণ শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সপ্তম
জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিপূর্ণ শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সপ্তম

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সপ্তম। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ২০৫০ সাল নাগাদ এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ২৩০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট আয়োজিত ‘জলবায়ু ঝুঁকি নিরসন এবং জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ফায়জুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ-উপস্থাপন করেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সদস্য মালিক ফিদা এ. খান। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন পানিসম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত। আলোচক হিসেবে ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক আশরাফ আলী, সাউথ এশিয়ান ক্লাইমেট চেইঞ্জ জার্নালিস্ট’স ফোরামের মহাসচিব আসাদুজ্জামান সম্রাট এবং জাতীয় গণমাধ্যম ইনষ্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান) ড. মো. মারুফ নাওয়াজ ও উপপরিচালক (সংযুক্ত) তানিয়া খান।

প্রধান অতিথি ড. আইনুন নিশাত তার আলোচনায় বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন পরিকল্পনার বাস্তবায়নে সংবাদ মাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।এ লক্ষ্যে সমন্বিত পানি সম্পদ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি হতে সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রভৃতি বিষয়ের তথ্য নিয়ে কাজ করতে হবে।’
তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দক্ষ জনবল গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

মূল-প্রবন্ধে মালিক ফিদা এ. খান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে প্রাকৃতিক বিপর্যয় একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। এ প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিরসনে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি হ্রাস এবং জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

‘তিনি আরো বলেন, ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ইনডেক্স অনুযায়ী বিশ্বের ১৯২টি ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় একটি বলিষ্ঠ অভিযোজন পরিকাঠামো গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি অভিজ্ঞতা বিনিময়, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) সম্পর্কে জনগণের এর ভূমিকা সম্পর্কে জানাতে সাংবাদিকদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।অতিরিক্ত সচিব সঞ্জয় কুমার ভৌমিক বলেন, ‘জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা এবং জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এর সঙ্গে যদি গণমাধ্যম আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়, তাহলে বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবেলায় আরো সাফল্য অর্জন করতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ