পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার পাশাপাশি জেলা সমন্বয়কদের নিয়ে মিথ্যাচার বক্তব্য প্রধানসহ বিভিন্ন অভিযোগে দুই সমন্বয়েকে বহিষ্কার করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন পঞ্চগড় জেলা। তারা হলেন হযরত আলী ওবায়দুল হক।
তেতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি বলেন আমি কারো পক্ষে কাজ করি না। আমি জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।আমাদের এখানে অনেকে অনেকভাবে চাঁদাবাজি চেষ্টা করেছে এবং করে আসছে। এগুলোর বিরুদ্ধে আমি সব সময় সোচ্চার থাকে। আমার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। বহিষ্কারের ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বা আমি কারো সাথে যুক্ত নেই। শৃঙ্খলার বাইরে কোন কর্মকাণ্ডে জড়িত না। কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে সেটা সত্যতা যাচাই করে দেখা উচিত।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, পঞ্চগড় জেলা থেকে জানানো যাচ্ছে যে, তেঁতুলিয়া উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে আসছিলেন মো. হযরত আলী ও মো. ওবায়দুল্লাহ। কিন্তু ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে, তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানার ব্যবহার করে নানান ধরনের শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। সেই সঙ্গে জেলা সমন্বয়কদের নিয়ে মিথ্যাচার বক্তব্য প্রদান করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এ ধরনের কাজকে কোনো ভাবেই সমর্থন করে না। তাই শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, পঞ্চগড় জেলার পক্ষ থেকে তাদেরকে বহিষ্কার করা হলো। পরবর্তী সময়ে, তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না।
অভিযোগ তুলে বহিষ্কারের বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন পঞ্চগড় জেলার আহ্বায়ক ফজলে রাব্বী জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানার ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন অফিসে গিয়ে সমন্বয়ক পরিচয়ে শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছে। তার প্রতিবাদ করায় আমাদের গুপ্ত সংগঠন ও শিবির বলে অপ্রচার চালাচ্ছে। কয়েকদিন আগে তেঁতুলিয়া যাওয়ার পথে কারণ ছাড়াই জেলার সমন্বয়ক সান ও আমাকে মারতে এসেছে।