রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন
/ অর্থনীতি
ডলারের তীব্র সংকট দীর্ঘদিন ধরেই। সংকট কাটাতে উচ্চাভিলাসী পণ্য আমদানিতে নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় বাংক। তবে সংকট যে সহসা কাটছে না, এ এখন অনেকটাই স্পষ্ট। এ অবস্থায় বিস্তারিত...
বাকিতে রোজানির্ভর পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বায়ার্স ও সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটের মাধ্যমে এসব পণ্য আমদানি করা যাবে। ডলার সংকট মোকাবিলায় ব্যাংকগুলোকে এ ধরনের ঋণের মাধ্যমে পণ্য আমদানির এলসি খোলার নির্দেশনা
বেনামি ঋণ ও ঋণ বিতরণে অনিয়ম ঠেকাতে বেসরকারি খাতের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০ কোটি টাকার বেশি অঙ্কের ঋণ বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি নগদ আদায় ছাড়া পুরোনো ঋণ নবায়ন
বিদায়ি বছর (২০২২) জুড়েই ছিল ভোগ্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা। এ সময় রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে মূল্যস্ফীতি। ঢাকায় বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে অর্থাৎ ১১.০৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এতে নিম্ন আয়ের পরিবারকে আরও
দেশে উৎপাদন হচ্ছে এমন অনেক অদরকারি পণ্য আমদানিতে অপচয় হচ্ছে বিপুল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে এ ধরনের পণ্য আমদানির পেছনেই খরচ হয়ে গেছে মোট আমদানি
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদিত পণ্যের ব্যয় বাড়বে। এতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি ব্যরিস্টার সামীর সাত্তার।
আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার হবে এক ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ কোটি ডলার। গত ছয় বছরে দেশের গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ হারে। এ প্রবৃদ্ধি
দেশে দেশে চরম মূল্যস্ফীতির মধ্যেই মন্দার আশঙ্কা বাড়ছে। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ আপাতত সুদের হার না বাড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় ডলার দুর্বল হচ্ছে। ফলে মূল্যস্ফীতির ঢাল হিসেবে বিনিয়োগ