গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গত তিন দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে ২৫ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
গত বুধবার, মঙ্গলবার ও সোমবার মুকসুদপুর পৌরসভার কমলাপুর, চন্ডিবর্দি ও টেংরাখোলা এলাকায় পাগলা কুকুরের কামড়ে তারা আহত হয়। এর মধ্যে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়াও রয়েছে। তার বাড়ি গোপিনাথপুর গ্রামে। মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও এন্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন বলেন, ‘গত ৩ দিনে আমরা কুকুরের কামড়ে আহত ২৫ জনকে চিকিৎসা দিয়েছি। তাদের এন্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। আমাদের হাসপাতালে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুত রয়েছে। তবে কুকুর থেকে সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’
মুকসুদপুর পৌরসভার চন্ডিবর্দি এলাকার বাসিন্দা মীর হাবীবুল্লাহ বলেন, পৌরসভার সদর বাজার, কমলাপুর, চন্ডিবর্দি ও চেংরাখোলাসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বেওয়ারিশ পাগলা কুকুর। স্কুলছাত্রী, পথচারী যাকেই পারছে কামড় দিয়ে শরীরে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করছে।
টেংরাখোলা এলাকার বাসিন্দা মুরসলিন সামস বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে পৌর এলাকার আরো অনেক মানুষ আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। দ্রুত কুকুরটির বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
মুকসুদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকার আইন করে কুকুর নিধন বন্ধ করেছে। সেজন্য বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের কোনো ব্যবস্থা আমরা বা পৌরসভা নিতে পারে না। তবে যে বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরটি কামড়িয়েছে, সেটিকে ধরে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে এলে আমরা চিকিৎসা দিতে পারব।’