বুধবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন

রাতের ঢাকাকে নিরাপদ রাখতে বিশেষ নজর ডিএমপির

প্রতিনিধির / ৩৯ বার
আপডেট : রবিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩
রাতের ঢাকাকে নিরাপদ রাখতে বিশেষ নজর ডিএমপির
রাতের ঢাকাকে নিরাপদ রাখতে বিশেষ নজর ডিএমপির

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এখন রাতের ঢাকাকে নিরাপদ রাখতে বিশেষ নজর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এ কে এম হাফিজ আক্তার। তিনি বলেন, কিছুদিন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কাজের কারণে পুলিশ ফোর্স বিভিন্ন জায়গায় সম্পৃক্ত ছিল। এখন আমরা রাতের ঢাকাকে নিরাপদ রাখতে নজর দিচ্ছি।রবিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে রাজধানীতে অপরাধ দমনে পুলিশের ভূমিকা বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হাফিজ আক্তার এ কথা বলেন।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, বিট পুলিশ ও থানা পুলিশকে রাজধানীর অপরাধ দমনে সবসময় নির্দেশনা থাকে। কখনো যদি অপরাধ বেড়ে যায়, তখন আমরা বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে চেষ্টা করি তা কমানোর। কিন্তু অপরাধ একেবারে নির্মূল করা খুবই কঠিন। যারা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন, তাদের যদি ভালো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায় তাহলে অপরাধটাও কমিয়ে আনতে পারব। এ বিষয়ে আমাদের কাজ চলছে।অভিযুক্তদের ভালো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হলে অপরাধ কমবে, বললেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার

তিনি বলেন, পুলিশ যেমন অপরাধীদের ধরতে কৌশল অবলম্বন করে, তেমনি যারা অপরাধ করে তারাও বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। যেখানে সিসি ক্যামেরা নেই, যেখানে কেউ তাকে দেখতে পারবে না, সেখানেই অপরাধগুলো করে তারা। অপরাধের যে ধরন ও প্রক্রিয়া, তা শুধু পুলিশিং দিয়েই একদম নির্মূল করার নজির বিশ্বের কোথাও নেই। কারাগারে গিয়ে অপরাধীরা সংশোধন বা অন্য কোনো পেশায় যাবে, সেটাও হচ্ছে না।হাফিজ আক্তার বলেন, ঢাকা শহর ২৪ ঘণ্টা কর্মব্যস্ত থাকে। দিনের বেলায় যেমন অফিসে সবাই ব্যস্ত থাকে। রাতের ঢাকায় ব্যাপক হারে ট্রাক ঢোকে। কাঁচাবাজারে বিভিন্ন পণ্য যারা বিক্রি করেন, সেখানে বাজার খুবই সক্রিয় থাকে। যারা রাতের বাসে, ট্রেনে, লঞ্চে বাইরে থেকে আসেন, তারা যখন গভীর রাতে চলাচল করেন তখন অপরাধীদের ফাঁদে পড়েন। আমরা একটা বিষয় দেখেছি যে, অপরাধীরা সবসময় চেষ্টা করে, তারা যেন ধরা পড়তে না পারে, সেভাবেই তারা অপরাধটা করে।

তিনি আরো বলেন, অপরাধটা যারাই করেন, আমাদের প্রথম কাজটি হলো ঘটনা ও অপরাধীকে চিহ্নিত করা। আমরা অপরাধীকে চিহ্নিত করি। তাদের সবসময় নজরদারিতে রাখতে পারলে অপরাধ কমে যাবে। একটা বিষয় দেখেছি, চুরি বলেন আর ছিনতাই বলেন ব্যাপক হারে গ্রেপ্তার করতে পারলে কমে যায়। যখন তারা আবার বেরিয়ে (জেল থেকে) আসে, এখন আবার ঘটনা বেড়ে যায়।গত সপ্তাহে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ইমরান হত্যা প্রসঙ্গে ডিএমপির এ কর্মকর্তা বলেন, এ ঘটনায় অনেককেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা সংশ্লিষ্ট রয়েছে, তা খুঁজে বের কতে তদন্ত চলছে। তদন্ত করে জানা যাবে, আসলে ঘটনাটা কী।

ঢাকার আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়া দুই জঙ্গির গ্রেপ্তারের অগ্রগতির বিষয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় একাধিক তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। তারা প্রত্যেকেই তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। সিটিটিসি এটা নিয়ে তদন্ত করছে। তারা বিষয়টির অগ্রগতির বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ