সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন

ধকল কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রপ্তানি আয়

প্রতিনিধির / ২০৭ বার
আপডেট : সোমবার, ৫ জুন, ২০২৩
ধকল কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রপ্তানি আয়
ধকল কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রপ্তানি আয়

পর পর দুই মাস ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির ধকল কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রপ্তানি আয়। তবে উদ্যোক্তারা মনে করেন প্রকৃত অর্থে দেশে রপ্তানি ক্রয়াদেশ অনেক কম। গত বছর একই সময় কম হওয়া, চলতি অর্থবছরে এপ্রিল মাসে ঈদের কারণে জাহাজীকরণ কম হওয়ার কারণে হঠাৎ রপ্তানিতে এই উল্লম্ফন।

গতকাল রবিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) মে মাসের রপ্তানির যে তথ্য প্রকাশ করে তাতে দেখা যায়, এই মাসে ৪৮৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।রপ্তানির এই পরিমাণ ২০২২ সালের মে মাসের রপ্তানি আয়ের (৩৮৩ কোটি ২ লাখ ডলার) চেয়ে ২৬.৬১ শতাংশ বেশি। মে মাস মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৫২ কোটি ৭২ লাখ ডলার। এই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭.১১ শতাংশ। তার আগের অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে রপ্তানি হয়েছিল চার হাজার ৭১৭ কোটি ৪৬ লাখ ডলারের পণ্য।

রপ্তানি আয়ের শীর্ষ খাত তৈরি পোশাক খাতের এই সময় রপ্তানি আয় হয়েছে চার হাজার ২৩৬ কোটি ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ০.৭৬ শতাংশ বেশি । এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১০.৬৭ শতাংশ বেশি। এই সময় নিট পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে দুই হাজার ৩২৭ কোটি ৮১ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ০.৫৮ শতাংশ বেশি।প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০.৯২ শতাংশ। ওভেন পোশাক থেকে আয় হয়েছে এক হাজার ৯৩৫ কোটি ২৬ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ০.৯৮ শতাংশ বেশি। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০.৩৬ শতাংশ। রপ্তানি আয়ে এমন প্রবৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে নিট পোশাক খাতের সংগঠন বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম কালের কণ্ঠকে বলেন, ২০২২ সালের মে মাসে ছিল ঈদের ছুটি, এ জন্য ওই সময় রপ্তানি আয় কম ছিল।

অন্যদিকে চলতি বছর ঈদ ছিল এপ্রিলে, এ সময় জাহাজীকরণ হয় কম। এ সময় পুরো রপ্তানি না হওয়া এসব পণ্য মে মাসে রপ্তানি হয়েছে। এ ছাড়া গত মাসে সোয়েটার রপ্তানি হয়েছে বেশি। এসব কারণে মে মাসের রপ্তানি আয়ে এমন উল্লম্ফন হয়েছে। এ ছাড়া অন্য প্রধান পণ্যগুলোর মধ্যে প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি হয়েছে ১৯ কোটি ডলার। গত বছরের আয় ছিল ১৪ কোটি ২৯ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৩.৫৬ শতাংশ। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ১১২ কোটি ডলার। গত বছরের আয় ছিল ১১১ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ০.৪২ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্যে রপ্তানি হয়েছে ৮৪ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। গত বছরের আয় ছিল ১০৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের চেয়ে রপ্তানি আয় কমেছে ১৯.৫৭ শতাংশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ