ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ঠাকুরগাঁওয়ে তিন যুবককে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- কালিতলা বাজার এলাকার আনারুলের ছেলে তামিম ইসলাম (২২), মিন্টুর ছেলে রনি (২১) এবং রহমান মাজেদুরের ছেলে মাসুদ (২২)।
ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে (১৫) রবিবার রাতে সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কালিতলা বাজার এলাকায় একটি গোডাউন ঘর থেকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ওই কিশোরীকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার ভোররাতে সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কালিতলা বাজার এলাকার কালিতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় গ্রেফতারকৃত আসামি রনির বাবার গোডাউন ঘরের সামনে দিয়ে ওই তিন যুবকের মোটরসাইকেলের সন্দেহজনক চলাচল দেখতে পায় টহলরত পুলিশের সদস্যরা।
পরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে ওই গোডাউন ঘরে অভিযান চালায়। এ সময় গোডাউন ঘর থেকে অসুস্থ অবস্থায় ১৫ বছরের এক কিশোরীকে উদ্ধার কওে পুলিশ। কিশোরীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। সেই সাথে তিন যুবককে আটক করা হয়।
এদিকে এই ঘটনায় মেয়ের বাবা সদর থানায় ওই তিন যুবককে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে অদালত তাদেও জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী কিশোরী সাংবাদিদের অভিযোগ করে বলেন, সপ্তাহখানেক আগে তার বান্ধবীর মাধ্যমে অভিযুক্ত তামিমের সাথে তার পরিচয় হয় এবং সেই সুবাদে তামিম তাকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। বিভিন্ন স্থানে ঘুরার পর কৌশলে তাকে কালিতলা বাজারের একটি নির্জন গোডাউন ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তামিমসহ তার অন্য দুই বন্ধু রনি ও মাসুদকে ডেকে এনে তিনজন মিলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি মো. শাহজাহান আলী বলেন রবিবার বিকেলে ধর্ষণের অভিযোগে তামিমসহ তিন যুবককে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।