সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সবশেষ ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দুই ব্যক্তি ও তাদের এক সন্তান নিহতর ঘটনার জবাবে জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।
হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি বিমান গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া শত্রুপক্ষের কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীও নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি এই দাবি করে। তবে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, তারা এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস, হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আইআরজিসির দাবিগুলো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
আইআরজিসি জানিয়েছে, ইসলামি ভূখণ্ড থেকে শেষ মার্কিন দখলদারকে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত তাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বোমাবর্ষণ ও সামরিক চাপ সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব এখনও অটুট রয়েছে। আইআরজিসির ভাষ্যমতে, মার্কিন ও পশ্চিমা হস্তক্ষেপ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই জলপথ তাদের কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকবে।