চলতি বছরের জুলাই মাসের শুরু থেকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী এবং ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথিদের মধ্যে বিভিন্ন রণাঙ্গনে লড়াই চলছে। যা এখন নতুন করে আরেক আঞ্চলিক সংঘাতের জন্ম দিতে চলেছে।
সবশেষ হুথি সশস্ত্র গোষ্ঠীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর ৩৮ জন সদস্য নিহত ও ২৯ জন সদস্য আহত হয়েছে। যার জবাবে এবার হুথি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের সৌদি সমর্থনপুষ্ট সরকার।
শনিবার থেকে এ অভিযান শুরু হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজিদ আল নুজাইলি। তিনি বলেছেন, উত্তরাঞ্চলসহ ইয়েমেনজুড়ে হুথিদের ঘাঁটি, সামরিক স্থাপনা ও রসদ সরবরাহ লাইন লক্ষ্য করে সেনা অভিযান পরিচলনা করা হচ্ছে।
বিদেশি এজেন্ডার অংশ হিসেবে ইয়েমেনকে আঞ্চলিক সংঘাতে টেনে আনার জন্য হুথিদের অভিযুক্ত করে নুযাইলি দাবি করেছেন, এই গোষ্ঠীটি ইয়েমেনের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে এবং সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়েছে।
নুযাইলি কঠোরভাবে বলেছেন, সামরিক বাহিনীর এ অভিজানের জেরে যদি উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়, সেক্ষেত্রে হুথি গোষ্ঠী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকরা সম্পূর্ণভাবে দায়ী থাকবে। অভিযানকে ঘিরে যদি হুথি গোষ্ঠী কোনো সহিংস পদক্ষেপ নেয়, তাহলে ইয়েমেনের সেনাবাহিনী ‘বিনা দ্বিধায়’ তার জবাব দেবে।
এদিকে হুথি গোষ্ঠীর সামরিক শাখার মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে বলেন, ইয়েমেনের মারিব ও হাদরামাওথ প্রদেশে হুথি গোষ্ঠীর দখলকৃত এলাকায় ইয়েমেনের সেনাবাহিনী সামরিক স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করছিল, তার জবাব হিসেবে এই হামলা করা হয়েছে। তবে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর অভিযান নিয়ে হুথি গোষ্ঠী এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।