ভারতের কলকাতার নিউমার্কেটে ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপ-দূতাবাসে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে কাগজপত্র ঠিক করা হচ্ছে। সব কাজ সম্পন্ন হলে ছয় মরদেহ শনিবার সকালে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। একজনকে কলকাতায় সৎকার করা হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কলকাতার মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালের মর্গে ৯ মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। যদিও ওইদিনই দুই ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
সূত্র বলছে, যেহেতু বিকেল ৬টার পর সীমান্ত বন্ধ হয়ে যায়, তাই রাতে কলকাতার পার্ক সার্কাসের ‘পিস ওয়ার্ল্ড’-এ মরদেহ রাখা থাকবে। শনিবার সকালে বাংলাদেশের উদ্দেশে মরদেহ ফেরত পাঠানো হবে।
নিহতদের মধ্যে পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানো হবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পেট্রোল স্থলবন্দর হয়ে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে। তারা হলেন-কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমিন, তিন বছর বয়সী সন্তান শর্ণশীষ দত্ত এবং শ্বশুর আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের বাসিন্দা আহামেদ বাবু।
নিহতদের মধ্যে আরেকজন রেবতী সরকার সাতক্ষীরার বাসিন্দা। পরিবারের আবেদন অনুযায়ী তার মরদেহ কলকাতাতেই সৎকার করা হবে বলে জানা গেছে।
সাভারের আহমেদ বাবুর প্রতিবেশী এমডি সোহেল বলেন, ‘আহমেদ বাবু আমার পাড়ার ছোট ভাই। চিকিৎসা করাতে আমিও কলকাতা ছিলাম। দেশ থেকে ফোন দিয়েছিল বাবু সেই হোটেলে আছে। খবর নিয়ে জানতে পারলাম ওই দুর্ঘটনায় বাবুও মারা গেছে। তার মরদেহ মর্গে রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সকাল থেকে থানা, ডেপুটি-হাইকমিশনার সব জায়গায় যাওয়ার পর আজ মরদেহ পেলাম। এখন কিছু নথির কাজ বাকি আছে। সেগুলো সম্পন্ন হলেই আমরা মরদেহ দেশে নিয়ে যাবো। আমাদের সবাই সহযোগিতা করেছেন।’