মাদ্রাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে একাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপাড়া তেমাথা এলাকায় তাহফিজুল মিল্লাত মডেল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার দুপুরে বিষয়টি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। মাদ্রাসাটির পরিচালক অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামকে বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কোতয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফর রহমান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মাদ্রাসায় গেলেও সেখানে পরিচালক শফিকুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক অভিযোগ করেন, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি মাদ্রাসায় আসেন। সেখানে এসে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে পরিচালকের অনৈতিক আচরণের অভিযোগের কথা জানতে পারেন। তিনি অভিযোগটির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ওই অভিভাবক বলেন, মাদ্রাসা ভবনের বাড়িওয়ালার সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে তার কথা হয়েছে। পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সন্ধ্যার মধ্যে তাকে উপস্থিত হতে বলেছেন বলে দাবি করেছেন বাড়িওয়ালা। অন্যথায় মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলেও জানিয়েছে বাড়িওয়ালা।
মাদ্রাসার শিক্ষক মো. বায়জিদ বলেন, শিক্ষার্থীরা শিশু এবং অভিভাবকেরা তাদের শিক্ষার জন্য শিক্ষকদের ওপর আস্থা রেখে মাদ্রাসায় পাঠান। কোনো শিক্ষক অনৈতিক বা অনৈসলামিক আচরণ করলে তার নেতিবাচক প্রভাব শিশুদের ওপর পড়তে পারে।
অভিযোগকারী এক শিক্ষার্থী জানায়, শিক্ষককে সম্মান করার কারণে এবং পরিবেশের কথা চিন্তা করে সে বিষয়টি প্রথমে কাউকে জানাতে সাহস পায়নি। আরেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে, এমন ঘটনার শিকার হলে তার মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত লাগত।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।