সৌদি আরবের জাজান এলাকায় সৌদি আরামকোর একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা।
রোববার লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ এই তেল শোধনাগারে আগুন লাগার পর হামলার দায় স্বীকার করে গোষ্ঠীটি। খবর সিএনএনের।
এক বিবৃতিতে হুথিরা জানায়, তারা ড্রোনের মাধ্যমে জিজানে সৌদি আরামকোর শোধনাগারটি সফলভাবে লক্ষ্যবস্তু করেছে। সাদা ও হাজ্জাহ প্রদেশের আকাশসীমায় সৌদি ড্রোনের অনুপ্রবেশের জবাব হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করে গোষ্ঠীটি।
সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভোরে জাজানে সৌদি আরামকোর একটি স্থাপনায় আগুন লাগে। পরে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের পরিধি বাড়তে থাকার মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল। ইরানের মিত্র হিসেবে পরিচিত হুথিরা এর আগে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হামলা চালিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবকে লক্ষ্য করেও হামলা বাড়িয়েছে গোষ্ঠীটি।
হুথিদের বারংবার হুমকি সৌদি আরবের জন্য নতুন চাপ তৈরি করেছে। হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় পারস্য উপসাগর থেকে লোহিত সাগর হয়ে রপ্তানির জন্য প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যারেল তেল সরিয়ে নেওয়ার রিয়াদের প্রচেষ্টাও এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বিশ্বের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সৌদি আরামকো। মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী আমিন নাসের জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা থেকে ২৬০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল হারিয়েছে।
সূত্র : সিএনএন